মঙ্গলবার রাতে ভিয়ারিয়ালকে ৬-০ গোলের বড় ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে পিএসজি। টানা তৃতীয় শিরোপা জয়ের পথে এটি দলটির টানা চতুর্থ জয়।
ম্যাচটির ভাগ্য প্রায় নির্ধারিত হয়ে যায় মাত্র ১৭ মিনিটেই! কারণ, এর মধ্যেই স্প্যানিশ দলটির জালে চারবার বল পাঠায় পিএসজি। গোল উৎসব শুরু করেন জোয়াও নেভেস। এরপর একে একে গোল করেন দেজিরে দুয়ে ও সেনি মায়ুলু। চতুর্থ গোলটি আসে ফাবিয়ান রুইজের পা থেকে; তাঁর জোরালো শটেই ব্যবধান ৪-০ তে দাঁড়ায়। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে এর চেয়ে কম সময়ে চার গোল করার কোনো রেকর্ড আর নেই। এই প্রতিযোগিতায় ২০১১ সালে দিনামো জাগ্রেবের বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদের ২০ মিনিটে চার গোল করার আগের রেকর্ডটি ভেঙে নতুন ইতিহাস গড়েছে লুইস এনরিকের দল।
পিএসজির চতুর্থ গোলের সুবাদে আরেকটি নতুন রেকর্ডও হয়েছে। চ্যাম্পিয়নস লিগের গ্রুপ পর্বের প্রথম চার ম্যাচে কোনো দলের সর্বোচ্চ ১৮ গোলের রেকর্ড এখন পিএসজির দখলে। এর আগে স্লোভান ব্রাতিস্লাভার বিপক্ষে তারা ৬ গোল এবং ম্যানচেস্টার সিটি ও বার্সেলোনার বিপক্ষে ৪টি করে গোল করেছিল। এছাড়া চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে টানা চার ম্যাচে চার বা তার বেশি গোল করার অনন্য কীর্তিও গড়ল ফরাসি ক্লাবটি।
ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধের ৫০ মিনিটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি তুলে নেন ফাবিয়ান রুইজ। এরপর ৭৮ মিনিটে ষষ্ঠ ও শেষ গোলটি করেন ১৭ বছর বয়সী তরুণ ডিফেন্ডার ডেভিড বলি। বদলি নামার মাত্র চার মিনিট পর চ্যাম্পিয়নস লিগে নিজের অভিষেক ম্যাচেই জালের দেখা পান তিনি। বর্তমান মৌসুমে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে এটিই পিএসজির সবচেয়ে বড় জয়।
স্পেন সফরে যাওয়ার আগে বেশ বড়সড় পরীক্ষাই দিতে হয়েছিল পিএসজিকে। ইনজুরির কারণে দলের চার গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়কে ছাড়াই মাঠে নামতে হয়েছিল তাদের। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরির কারণে মাঠের বাইরে ছিলেন উসমান দেম্বেলে, মার্কিনিওস ও নুনো মেন্দেস। আর হাঁটুর লিগামেন্ট ছিঁড়ে যাওয়ায় দীর্ঘমেয়াদে মাঠের বাইরে আছেন খিচা কভারাতসখেলিয়া। তবে এতসব তারকার অনুপস্থিতিও ফরাসি জায়ান্টদের জয়রথ আটকাতে পারেনি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে এটি তাদের টানা দশম জয়।
Leave a Reply